এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল, বাংলাদেশের জন্য ভাইবারের পরিকল্পনা কী?

Written by

ভাইবার সিইওঃ বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় বাজার, যেখানে প্রতিদিনের কর্মকাণ্ডের জন্য এবং সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনায় অনেক মানুষ প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। এই যাত্রায় আমরা বাংলাদেশের পাশে থাকতে চাই এবং দেশটি যে ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তার অংশ হতে চাই। এজন্যই আমরা আমাদের অ্যাপটি উন্নত করার ব্যাপারে আরও বেশি মনোযোগী হয়ে উঠছি, যাতে আমরা স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটাতে পারি।

ভাইবার একাধিক দেশে ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সাথে একত্রিত হয়ে কাজ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ভাইবার ফিলিপাইনে ফুডপিএইচ বট চালু করেছে। এই বটের মাধ্যমে ফিলিপিনোরা ছোট খাবারের দোকান থেকে খাবার অর্ডার করতে পারছেন। জিক্যাশের সাথে অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে ব্যবহারকারীরা কিউআর কোডের মাধ্যমে সহজেই  বিল পরিশোধ করতে পারেন।

নেপালে ইসেওয়া ভাইবারের সাথে যৌথ উদ্যোগে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের প্রথম ডিজিটাল ওয়ালেট চালু করে। এছাড়া, ইসেওয়া একটি নতুন ফিচার চালু করে, যার মাধ্যমে ভাইবার ব্যবহারকারীরা পেমেন্টের জন্য টাকা পাঠাতে পারেন এবং ইসেওয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টপ আপ করতে পারেন।

ডিজিটাল পেমেন্ট বাংলাদেশেও জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে। তাই ভাইবার বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য চ্যাটবট পেমেন্ট, রিচার্জ ফোন ক্রেডিট, ইন-চ্যাট পেমেন্ট এবং আরও অনেক উদ্যোগ চালুর জন্য ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারীত্বের পরিকল্পনা করছে।

বাংলাদেশে ভাইবার ব্যবহার ৭২ শতাংশ, কমিউনিটি বার্তা প্রেরণ ১১৬ শতাংশ, চ্যাট এক্সটেনশন ৪৭ শতাংশ, কমিউনিটি ভিউ ১৪৯ শতাংশ এবং ভয়েস-ওভার কল ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এশিয়া প্যাসিফিকের দেশগুলোতে ভাইবার গ্রুপে বার্তা প্রেরণ অনেক বেড়েছে, যেমন: শ্রীলঙ্কায় এ সংখ্যা ৯১ শতাংশ এবং ফিলিপাইনে ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

Article Categories:
খবর

Leave a Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares