প্রিমো এইচ৮ প্রো রিভিউ (বাজেট কিলার)

Written by

এইচ৮ টার্বো এর কথা মনে আছে নিশ্চয়ই? ৮ হাজার টাকায় ৩ জিবি র‍্যাম, ১.৬ গিগাহার্জ প্রসেসর। এইচ৮, এইচ৮ টার্বো স্মার্টফোন দুটির মোট তিনটি ভেরিয়েন্ট বিগত ৩ মাস জুড়ে বাজারে বেশ সারা ফেলে। বলতে গেলে এই মডেলটি ছিল ওয়ালটনের টপ সেলার; অবশ্যই স্মার্টফোনের স্পেসিফিকেশন দাম হিসেবে বেশ চলনসই বলেই মডেলটি বেশ সারা ফেলে। তারই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন এবার বাজারে নিয়ে আসল এইচ৮ সিরিজের আরেকটি বাম্পার ভেরিয়েন্ট প্রিমো এইচ৮ প্রো। আর নিশ্চয়ই দাম, স্পেসিফিকেশন এবং ডিজাইন সবকিছুর বিচারেই এটি প্রো। স্মার্টফোনটি বিগত কিছুদিন ১০০০ টাকায় ছাড়ে ৭৪৯৯ টাকায় অনলাইনে প্রি-সেল হয়। তবে এখন রিটেইল মার্কেটে স্মার্টফোনটি এর রেগুলার দাম তথা ৮৪৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

ওয়ালটনের এইচ সিরিজ, ১০ হাজার টাকার নিচের দারুন সব স্মার্টফোনের জন্য বরাবরই জনপ্রিয়। ১০ হাজার টাকার ভিতরে খুবই মানানসই দামে এই সিরিজের বেশ কয়েক স্মার্টফোন এর আগেও মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। আমি নিজেও ব্যক্তিগত ভাবে বিগত ৪ বছর হল প্রিমো এইচ৪ ব্যবহার করেছি, ১.৫ বছর আমার আম্মু ব্যবহার করছেন। দারুন ব্যাপার হল এখনও স্মার্টফোনটি খুব দারুনভাবেই চলছে, যদিও এখনকার বেশ কিছু ভারী অ্যাপস ১ জিবি র‍্যাম থাকার কারনে কিছুটা ল্যাগ করছে, তবে সে সময় সাড়ে সাত হাজার টাকায় কেনা স্মার্টফোন এখনও দিব্যি সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে, এটা খারাপ কি? আর এই কারনে অন্য সব সিরিজও ভাল তবে আমার এইচ সিরিজের প্রতি একটি পার্সোনাল রেকোমেন্ডেশন আছে।

তো এবার আসি এইচ৮ প্রো নিয়ে। ওয়ালটন এই এইচ৮ প্রো নিয়ে অনেক মনোযোগ দিয়েছে, তা এর দাম, ডিজাইন এবং স্পেসিফিকেশন এর সাথে সামঞ্জস্য করলে আমরা সহজেই বুঝতে পারব। স্মার্টফোনটিতে এবার বিশেষ কিছু ট্রেন্ড এর দিকে বেশ ভালোভাবে নজর দেয়া হয়েছে। আর সাধারণত এই দামে আমরা এসব বিষয় অন্য কোন স্মার্টফোনে সচরাচর দেখতে পাই না বলতে গেলে। ডিসপ্লে থেকে আরও বেশি ফুল স্ক্রিন এক্সপেরিএন্স দেয়ার জন্য অন্যসব ব্র্যান্ড যেমন নচ দিচ্ছে এবং নচ এর সাইজও অনেক ছোটো করছে; ওয়ালটনও সেই দিকে পা বাড়িয়ে এইচ৮ প্রো স্মার্টফোনে ইউ-সেপ নচ দিয়েছে। আর এই ইউ-সেপ নচ অনেকটা দেখতে ওয়াটার ড্রপ নচ এর মতোই। এই নচ স্মার্টফোনের ডিজাইনকে অনেক প্রিমিয়াম ধাচের করেছে। আর আমরা হার্ডওয়্যার এর দিকে যদি তাকাই, তবে সেখানেও আমরা দাম হিসেবে যথেষ্ট বললে আমার মনে হয় কোন ভুল হবেনা।

সিস্টেম মেমোরি হিসেবে ওয়ালটন এই স্মার্টফোনে দিয়েছে ৩ জিবি র‍্যাম। আর আগের ভেরিয়েন্ট থেকে এখানে ডিজাইনে যেমন পরিবর্তন এসেছে, তেমনি ইন্টারনাল স্টোরেজও বেড়েছে। এইচ৮ প্রো স্মার্টফোনটিতে ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ পাওয়া যাচ্ছে। আর যদি চিপসেট এর কথা বলি, এতে থাকছে একটি অক্টাকোর সিপিইউ, আর যে সিপিইউটির বাজ স্পিড ১.৬ গিগাহার্জ। সুতরাং ১০ হাজার টাকার নিচে যারা পাবজি এর মত অনলাইন গেমস খেলার জন্য খুব ভালো ফোন খুঁজছেন, তবে এই দামে ৩ডি গেমিং এর জন্য কোন ফোন ভালো হবে ভেবে পাচ্ছেন না, তাদের জন্য বলব এইচ৮ প্রো ভাল পছন্দ হতে পারে।

একনজরে প্রিমো এইচ৮ প্রো

  • ডুয়াল সিম ৪জি সাপোর্ট
  • ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা
  • ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
  • ১.৬ গিগাহার্জ অক্টাকোর প্রসেসর
  • ৫.৭১ ইঞ্চি এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে
  • এন্ড্রয়েড ৯ পাই সংস্করন
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর
  • ৩৫২০ এমএএইচ ব্যাটারি

প্রিমো এইচ৮ প্রো এর বক্সে যা থাকছেঃ প্রথমত প্রিমো এইচ৮ প্রো ডিভাইসটি, একটি চার্জার অ্যাডাপ্টার, একটি ইউএসবি কেবল, স্ক্রিন প্রটেকটর ফিল্ম, একটি মিডিয়াম কোয়ালিটি হেডফোন, সিম ইজেকটর পিন, ওয়ারেন্টি কার্ড এবং সেফটি ইন্সট্রাকশন গাইড।

ডিজাইন

লো-মিড বাজেট এর এই স্মার্টফোনে ওয়ালটন ডিজাইন এর দিক থেকে কোন আপোষ করেনি। এর ডিজাইন যথেষ্ট প্রিমিয়াম এটা অস্বীকার করার কোন কারন নেই। স্মার্টফোনটি লাল, নীল এবং কালো কালারে বাজারে পাওয়া যাবে। আর তিনটি কালারেই ব্যাকগ্রাউন্ড তথা রিয়ার প্যানেলে পাওয়া যাবে গ্র্যডিয়েন্ট ফিনিস, যা আমার কাছে দারুন লাগে। নীল এবং লাল কালারের ভার্সনে গ্র্যডিয়েন্ট ভাবটা অনেক ভালোভাবে ফুটে ওঠে। আর এই আগের এইচ৮ ভেরিয়েন্ট গুলোও রিয়ার গ্র্যাডিয়েন্ট কালার ফিনিস যুক্ত ছিল। ফোনটির ভাল লাগার এবং ফোনটি দেখে ভালোবাসার আরেকটি কারন হল এর ফ্রন্ট প্যানেলের ডিসপ্লে পার্ট। এর ডিসপ্লে চারিদিক দিয়ে রাউন্ড কাট; যা আপনাকে অন্যরকম অভিজ্ঞতা দিবে। আর এর অপর একটি ইউ নচ’তো এর ডিজাইন অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছেই, তা আর বলার বাকি থাকছে না, নিঃসন্দেহে। ফোনটির রিয়ার প্যানেল গ্র্যডিয়েন্ট কালারের পাশাপাশি এর সার্ফেসকে গ্লসি ফিনিস দেয়া হয়েছে। ব্যাটারি সহ এর ওজন প্রায় ১৫৯ গ্রাম। ফোনটির উচ্চতা ১৪৭.৩ মিলিমিটার এবং প্রসস্থতা ৭০.৯ মিলিমিটার; আর ফোনটির থিকনেস ৮.৯ মিলিমিটার।

ডিসপ্লে

ডিসপ্লের দিক দিয়েও এই ডিভাইসটি যথেষ্ট এগিয়ে। আপনি যদি বড় ডিসপ্লে লাভার হন তাহলেও এই স্মার্টফোন আপনার পছন্দ হতে পারে, কেননা এতে আপনি ৫.৭১ ইঞ্চি সাইজের বিগ ডিসপ্লে। আর এই ডিসপ্লেটির এক্সপেক্ট রেসিও ১৯ঃ৯। আর এর রেজুলেশন ১৫২০ বাই ৭২০ পিক্সেল। ডিসপ্লেটির ব্রাইটনেস লেভেল ৪৭০ নিটস। অন্যসব ফোনের মত এতে সাইড দিয়ে ২.৫ ডি কার্ভ তো থাকছেই। তবে সবচাইতে আকর্ষণীয় দিক হল এর নচ। প্রিমো এইচ৮ প্রোতে থাকছে আইপিএস প্রযুক্তির ডিসপ্লে। আর আইপিএস ডিসপ্লে এর ক্ষেত্রে ভিউইং অ্যাঙ্গেল এবং ডিসপ্লে ওয়াচিং এক্সপেরিএন্স নিয়ে কোন সমস্যাই হওয়ার কথা না।

হার্ডওয়্যার

হার্ডওয়্যার এর দিক দিয়ে এটি আগের এইচ ৮ ভেরিয়েন্ট গুলোর চাইতে অনেক এগিয়ে। আর ওয়ালটন এর দাবি এটি আগের এইচ৮ ভার্সনের চাইতে ২০% পারফরমেন্স বুস্টেড। এতে ব্যবহার করা হয়েছে করটেক্স এ৫৫ চিপসেট, আর এটি ১.৬ গিগাহার্জ ক্ষমতা সম্পন্ন ৮ কোর বিশিষ্ট অক্টাকোর সিপিইউ। প্রসেসর এর দিক দিয়ে এই বাজারের অন্য সকল ফোনের চাইতে এই প্রিমো এইচ৮ প্রো অনেক বেশি এগিয়ে। গ্রাফিক্স ইউনিটে দেখা যাচ্ছে এখানে করটেক্স এ৫৫ এর সাথে পাওয়ার ভিআর জিই৮৩২২ জিপিইউ ব্যবহার করা হয়েছে। আর এই সব দিক দিয়ে আমার কাছে এই এই দামে হার্ডওয়্যারের দিক দিয়ে এই প্রিমো এইচ৮ প্রো বেশ ভালো ডিল। নিচে বেঞ্চমার্ক স্কোর এর দিকে তাকালে আমরা ব্যাপারটি বুঝতে পারব।

বেঞ্চমার্ক স্কোর

মেমোরি

মেমোরি এর দিক দিয়ে এই ডিভাইসটি একদম দাম উসুল! এটা আমি এই আর্টিকেলের শুরুতেই বলেছি। এই ডিভাইসটির ৩জিবি র‍্যাম অন্য সব ফোনের চাইতে অনেক ফাস্ট, কেননা এতে ব্যবহার করা হয়েছে ডিডিআর৪ প্রযুক্তির র‍্যাম। এই গেল সিস্টেম পাওয়ারিং মেমোরির কথা। এবার আসি ফোনটির ভেতর ঠিক কত জিবি স্টোরেজ থাকছে, যা আপনি আপনার ফাইল সংরক্ষন এর জন্য পাচ্ছেন; ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। যা ৮৪৯৯ টাকার ফোনে আমার কাছে দারুন! ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজে এন্ড্রয়েড ইন্টারনাল বেশ কিছু ফাইল সংরক্ষন এর পাশাপাশি ব্যবহারকারি অনেক জায়গা ফাকা পাবে। আর ৩জিবি র‍্যাম থাকার ফলে ডিভাইসটি খুব স্মুথভাবে চলবে। ৩২ জিবি স্টোরেজ এর পাশাপাশি এই ফোনটিতে ৬৪ জিবি পর্যন্ত এক্সটারনাল এসডি কার্ড সাপোর্ট করবে।

অপারেটিং সিস্টেম

ডিভাইসটিতে এন্ড্রয়েড এর লেটেস্ট ৯.০ পাই ভার্সন ব্যবহার করা হয়েছে । আর এতে এন্ড্রয়েড এর স্টক ইউআই এর স্বাদই পাওয়া যাবে।  অনেকে ইউআই দেখতে কেমন তা জানতে চান তাদের জন্য স্ক্রিনসট আকারে নিচে ডিভাইসটির ইউআই তথা ইউজার ইনটারফেস যুক্ত করে দিলাম।

রিয়ার ক্যামেরা

৮৪৯৯ টাকার এই প্রিমো এইচ৮ প্রো ক্যামেরার দিক দিয়ে ভালোনা, সেটি বলারও কিন্তু কোন অবকাশ থাকছেনা। ডিভাইসটির রিয়ার প্যানেলে রয়েছে একটি বিএসআই সেন্সর যুক্ত ক্যামেরা মডিউল। যা একটি ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর, এর এপারচার এফ ২.০। এখানে ব্যবহার করা হয়েছে ৫পি লেন্স। আর এই দামে এই ক্যামেরা দিয়ে অন্যসব ফোনের চেয়ে তুলনামূলক ভালো মানের ছবি তোলা সম্ভব। রিয়ার ক্যামেরাটির সাথে পাওয়া যাবে বেশ কয়েকটি সুটিং মোড, যা আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ছবি তুলতে সহযোগিতা করবে। আর অবশ্যই এই ক্যামেরার সাথে একটি ভালমানের ফ্ল্যাশ তো থাকছেই।

ফ্রন্ট ক্যামেরা

ফ্রন্ট ক্যামেরায় ফোনটি বাজিমাত তা তো দেখলাম। এখন ফ্রন্ট ক্যামেরার কথা বলা হলে তাতেও কম কি? সেলফি তোলার জন্য বা ভিডিও কলিং করার জন্য এই ফোনের ফ্রন্ট প্যানেলে আপনি পাবেন ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এই ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা পিডিএএফ ফিচার সুবিধাযুক্ত। যার ফলে আপনার সেলফিতে আপনাকে ফোকাসে রাখতে কামেরাটি ভালো পারফরমেন্স দিতে পারবে।

ক্যামেরা স্যাম্পল

সবকিছু বাদ দিয়ে ফোনটি দিয়ে তোলা ছবি দিয়ে এর ক্যামেরাকে মূল্যয়ন করতে পারেন।

 

 

কামেরা ইউআই

সিকিউরিটি

একটি ফোনের নিরাপত্তার জন্য এর সিকিউরিটি ফিচারস গুলো অনেক বেশি অপরিহার্য। আপনার অগোচরে আপনার ফোন থেকে কেউ কোন তথ্য নিয়ে আপনার অনেক বেশি ক্ষতি সাধন করা অস্বাভাবিক কিছু নয় কিন্তু। এই জন্য আধুনিক সকল ফোনে পাওয়া যায় বিশেষ কিছু সিকিউরিটি ফিচারস; যেমন ফেস আনলক, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ইত্যাদি। আর আমরা এই প্রিমো এইচ৮ প্রোতে পাচ্ছি দুটি সিকিউরিটি ফিচারস; এগুলো হলো, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেসআনলক।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর

ফোনটিতে প্রাইমারি সিকিউরিটি সিস্টেম হিসেবে আপনি পাচ্ছেন একটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার বা সেন্সর। এখানে আপনি ফোন থেকে মোট ৫ টি ফিঙ্গারপ্রিন্ট তথা আঙ্গুলের ছাপ অ্যাড তথা যুক্ত করে রাখতে পারবেন।

ফেস আনলক

ফোনটিতে আগেই জানি, আমরা পাব একটি ৮ মেগা পিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। যার কারনে এতে একটি অন্যতম সিকিউরিটি ফিচার হিসেবে দেয়া হয়েছে ফেসআনলক সুবিধা। এটা মূলত ২ডি ফেস আনলক। আর সাধারন আলোতে এই ফেসআনলক ফিচার বেশ ভালভাবেই কাজ করবে।

ব্যাটারি

ফোনটির এত কিছু নিয়ে কথা বললাম, আর এসব যে ব্যাকআপ দিবে সেই বিষয়টি নিয়েই বলব না তা কি হয়? হ্যাঁ ঠিক বুঝেছেন, ব্যাটারি। এই প্রিমো এইচ৮ প্রো ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে একটি ৩৫২০ এমএএইচ ক্ষমতা সম্পন্ন লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি। আর সম্পূর্ণ চার্জে, ফোনটি দিয়ে যে সারাদিন ব্যাকাপ পাওয়া যাবে তা আশা করাই যায়। তবে এ বিষয়টি নির্ভর করবে আপনি ফোন দিয়ে সারাদিন কি করবেন তার অপর।

অনলাইন থিম

অনেকে ফোনের ভেতরকার থিম কাস্টমাইজেশন অনেক বেশি ভালোবাসেন। আর তাদের জন্য এই ফোনে পাবেন কাস্টম থিম ব্যবহার করার সুবিধা। কিছু থিম প্রি-ইন্সটল্ড অবস্থায় থাকলেও, আপনি ‘থিমস’ নামক অ্যাপটি থেকে হাজারেরও বেশি অনলাইন থিম ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।

স্পেশাল ফিচার


দামে এবং সবদিক দিয়ে একে একটি বাজেট কিলার স্মার্টফোন বললে কোনদিক দিয়ে ভুল হবেনা।  সুতরাং এই দামে যদি আপনি একটি স্মার্টফোন কিনতে চান যা আপনি কাজে লাগাতে চান মোটামটি সবরকম ক্ষেত্রেই, তবে এখনই কিনে নিতে পারেন স্মার্টফোনটি।  ওয়ারেন্টিঃ আর ওয়ালটন এর অন্যসব ফোনের মতই এতে পাবেন জেনারেল ১ বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা, আর ১০১ দিনের প্রায়োরিটি সার্ভিস। আর ৭ দিনে রিপ্লেস্মেন্ট গ্যারান্টি তো থাকছেই।

Article Categories:
রিভিউ

Leave a Reply

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *